সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম টিকিট ও ভাড়া ২০২৬
সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম রুটের বাস ছাড়ার সঠিক সময়সূচী, টিকিটের
আপডেটেড ভাড়া, কাউন্টার সমূহের মোবাইল নম্বর ও অনলাইন টিকিট কাটার নিয়ম জেনে
নিন।
এখানে প্রত্যেকটা বিষয়ে আমি অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছি। আপনি সূচিপত্র
থেকে আপনার কাঙ্খিত তথ্যের কাছে সরাসরি যেতে পারেন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত
মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন।
পেজ সূচিপত্রঃ
সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম সময়সূচী
আপনি খুলনা থেকে চট্টগ্রাম যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন আর সময়সূচী নিয়ে চিন্তায়
আছেন? চিন্তার কোনো কারণ নেই, কারণ সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম সময়সূচী
সম্পর্কে একদম নির্ভুল তথ্য জেনে রাখা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যাতে করে আপনার
যাত্রা সম্পূর্ণ দুশ্চিন্তামুক্ত এবং আরামদায়ক হয়। এই দীর্ঘ রুটে নিয়মিতভাবে
সকাল এবং রাতে সৌদিয়া পরিবহনের বাস চলাচল করে।
| বাসের ধরন | ছাড়ার সময় | পৌঁছানোর সময় |
|---|---|---|
| নন-এসি | ০৭:৩০ AM | ০৮:০০ PM |
| এসি | ০৯:০০ AM | ০৯:৩০ PM |
| নন-এসি | ০৭:১৫ PM | ০৬:৩০ AM |
| এসি | ০৯:০০ PM | ০৭:৩০ AM |
সত্যি বলতে, আমি যখনই এই রুটে ভ্রমণ করি, সব সময় চেষ্টা করি রাতের ট্রিপটা
ধরতে। কারণ সারাদিনের ক্লান্তি শেষে বাস ছেড়ে দিলে শান্তিতে ঘুমিয়ে যাওয়া যায়
এবং সকালে চট্টগ্রাম পৌঁছে একদম ফ্রেশ মনে নামা যায়। তবে একটি বিষয় মাথায়
রাখবেন হরতাল, জ্যাম বা আবহাওয়ার কারণে বাসের সময়ে সামান্য হেরফের হতে পারে।
তাই টিকিট কাটার পর বাস ছাড়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে কাউন্টারে গিয়ে পৌঁছানোই
সবচেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত হবে।
খুলনা থেকে চট্টগ্রাম বাসের রুট ও দূরত্ব
খুলনা থেকে চট্টগ্রাম যাত্রায় বাসের রুট এবং সঠিক দূরত্ব জানা থাকলে ভ্রমণের
আগে একটা মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয়। মূলত খুলনা থেকে ছেড়ে বাসগুলো
গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, পদ্মাসেতু ও ঢাকা বাইরের বাইপাস হয়ে মহাসড়ক ধরে সোজা
চট্টগ্রামের দিকে এগিয়ে যায়। এখন পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর এই পথের যাত্রা
আগের চেয়ে অনেক সহজ এবং বেশ আরামদায়ক হয়ে গেছে, যা যেকোনো যাত্রীর জন্যই
স্বস্তির বিষয়।
দূরত্বের কথা বললে, খুলনা থেকে চট্টগ্রামের দূরত্ব বাসের রুট ভেদে আনুমানিক
৪২০ থেকে ৪৫০ কিলোমিটারের মতো। ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং পদ্মা সেতু এক্সপ্রেসওয়ে
ধরে গেলে পথটা যেমন মসৃণ মনে হয়, তেমনি বাসে যেতে সাধারণত ১০ থেকে ১২ ঘণ্টার
মতো সময় লেগে যায়। তবে রাস্তার যানজট বা সিজনের ওপর ভিত্তি করে সময়ে কিছুটা
কম-বেশি হতে পারে, তাই হাতে একটু বাড়তি সময় নিয়ে বের হওয়াই বুদ্ধিমানের
কাজ হবে।
সৌদিয়া পরিবহন এসি ও নন এসি ভাড়া
দীর্ঘ যাত্রায় বের হওয়ার আগে টিকিটের বাজেট জেনে রাখাটা খুব দরকারী, কারণ সঠিক
হিসাব জানা থাকলে পুরো জার্নিটাই বেশ নিশ্চিন্তে কাটানো যায়। আপনি যদি সৌদিয়া
পরিবহন এসি ও নন এসি ভাড়া সম্পর্কে জানতে চান, তবে জেনে রাখুন এই রুটে
যাত্রীদের বাজেটের কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন ক্লাসের বাস চালু রাখা হয়েছে।
সার্ভিস ও বাসের ধরনের ওপর নির্ভর করে ভাড়ার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকে, যা
নিচে খুব সহজ করে তুলে ধরা হলো।
| বাসের ধরন | সিট ক্লাস | আনুমানিক ভাড়া |
|---|---|---|
| নন-এসি | চেয়ার কোচ | ১,২০০ - ১,৩০০ টাকা |
| এসি | ইকোনমি | ১,৮০০ - ২,০০০ টাকা |
| এসি | বিজনেস | ২,০০০ - ২,২০০ টাকা |
তবে একটা কথা মনে রাখা ভালো ঈদের ছুটি, বিশেষ কোনো উৎসব বা জ্বালানি তেলের দাম
উঠানামা করলে ভাড়ার এই অংকে সাময়িক পরিবর্তন আসতে পারে। তাই আমার মতে, যাত্রার
তারিখ চূড়ান্ত করার পর নিকটস্থ কাউন্টারে ফোন করে সেই দিনের টিকিটের রেটটা
আরেকবার কনফার্ম করে নেওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ হবে।
সৌদিয়া পরিবহন বাস যাত্রীদের বিশেষ সুযোগ
দীর্ঘ সফরের ক্লান্তি কাটিয়ে ভ্রমণকে সত্যি আনন্দদায়ক করে তুলতে সৌদিয়া
পরিবহন যাত্রীদের জন্য বেশ কিছু চমৎকার সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা রাখে। বাসে
ওঠার পর প্রথমেই যা চোখে পড়ে তা হলো অত্যন্ত আরামদায়ক ও অ্যাডজাস্টেবল সিট,
যেখানে পিঠ এলিয়ে দিয়ে আপনি ঘণ্টার পর ঘণ্টা নিশ্চিন্তে পার করে দিতে পারবেন।
বিশেষ করে রাতের জার্নিতে আরামদায়ক জার্নির জন্য এগুলোর কন্ডিশন সত্যিই
প্রশংসনীয়। এছাড়া পুরো যাত্রাপথে বাসের ভেতরের এসি পারফরম্যান্স এবং
পরিচ্ছন্ন পরিবেশ আপনাকে একটা প্রিমিয়াম অনুভূতি দেবে।
শুধু সিটই নয়, দূরপাল্লার যাত্রায় যাত্রীদের বিনোদন ও প্রয়োজনের কথা মাথায়
রেখে আরও কিছু সুবিধা যুক্ত করা হয়েছে। প্রতিটি আসনের কাছেই থাকে আধুনিক
চার্জিং পয়েন্ট, যার ফলে ফোন বা গ্যাজেট বন্ধ হয়ে যাওয়ার বাড়তি দুশ্চিন্তা
পুরোপুরি কমে যায়। সেই সাথে বাসে সুপেয় খাবার পানি সরবরাহ করা হয় এবং যাত্রার
মাঝপথে মানসম্মত বিরতি স্টেশনে থামানো হয়, যেন যাত্রীরা কিছুটা সময় রিফ্রেশ
হয়ে কিংবা হালকা নাস্তা সেরে আবার শান্তিতে বাকি পথটুকু পাড়ি দিতে পারেন।
চট্টগ্রাম জেলার প্রধান সৌদিয়া পরিবহন কাউন্টার
চট্টগ্রাম শহরে পৌঁছানোর পর কিংবা চট্টগ্রাম থেকে খুলনা ফেরার ভ্রমণের
পরিকল্পনা করতে গেলে সেখানকার প্রধান কাউন্টারগুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা
খুব দরকার। সৌদিয়া পরিবহনের প্রধান কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু
চট্টগ্রাম শহরই, তাই বলা চলে শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেই তাদের অত্যন্ত
সুসংগঠিত কাউন্টার সুবিধা রয়েছে।
| কাউন্টারের নাম | অবস্থান/ঠিকানা | ল্যান্ডমার্ক / চেনার উপায় |
|---|---|---|
| দামপাড়া কাউন্টার | দামপাড়া বাস টার্মিনাল | এম এ আজিজ স্টেডিয়ামের কাছে |
| অলংকার কাউন্টার | অলংকার মোড়, চট্টগ্রাম | ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে সংলগ্ন |
| এ কে খান কাউন্টার | এ কে খান মোড় | প্রধান প্রবেশদ্বার পয়েন্ট |
| বিআরটিসি কাউন্টার | স্টেশন রোড, চট্টগ্রাম | রেলওয়ে স্টেশনের নিকটেই |
একটি বিষয় ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলি বিশেষ করে ছুটির দিন বা উৎসবের
সময়গুলোতে এই কাউন্টারগুলোতে বেশ ভিড় থাকে। তাই চট্টগ্রাম থেকে ব্যাক করার
পরিকল্পনা থাকলে অন্তত ১-২ দিন আগেই কাউন্টারে কল করে টিকিট বুক করে ফেলা ভালো,
এতে করে একদম মনমতো সিট বেছে নিয়ে নির্বিঘ্নে যাত্রা সম্পন্ন করা যায়। বিশেষ
কোনো কারণে মোবাইল নাম্বার গুলো চেঞ্জ করা হতে পারে।
অনলাইনে সৌদিয়া পরিবহনের টিকিট কাটার সঠিক নিয়ম
আজকাল কাউন্টারে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে টিকিট কাটার ঝামেলা আর
কেউ পোহাতে চায় না, আর সৌদিয়া পরিবহনের অনলাইন টিকিট সার্ভিস যাত্রীদের এই
কাজটা অনেক সহজ করে দিয়েছে। আপনার হাতে থাকা মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার
করেই ঘরের কোণে বসে যেকোনো সময় পছন্দের সিট সিলেক্ট করে টিকিট বুক করে ফেলা
যায়। এজন্য আপনাকে টিকিট বুকিং প্ল্যাটফর্ম (যেমন- shohoz.com বা সৌদিয়ার
অফিসিয়াল সাইট/অ্যাপ)-এ গিয়ে শুরুতেই যাত্রা এবং গন্তব্যের স্থান ‘খুলনা’ ও
‘চট্টগ্রাম’ নির্বাচন করতে হবে, সাথে সফরের নির্দিষ্ট তারিখ বেছে নিয়ে সার্চ
দিলেই বাসের তালিকা দেখতে পাবেন।
বাসের তালিকা চলে এলে আপনার পছন্দমতো এসি বা নন-এসি কোচ এবং সুনির্দিষ্ট সিট
সিলেক্ট করে ‘Continue’ অপশনে চাপ দিতে হবে। এরপর যাত্রীর নাম, মোবাইল নম্বর
এবং ইমেইল অ্যাড্রেস সঠিকভাবে দিন। বিকাশ, নগদ, রকেট কিংবা যেকোনো ব্যাংকের
ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট কমপ্লিট করলেই মুহূর্তের মধ্যে আপনার
মোবাইলে ই-টিকিটের একটি কনফার্মেশন চলে আসবে এবং ইমেইলে টিকিট পিডিএফ আকারে
পৌঁছে যাবে। যাত্রার দিন বাসে ওঠার আগে এই মেসেজ বা টিকিটের প্রিন্ট কপি
কাউন্টারে দেখালেই ব্যাস, নিশ্চিন্তে বাসে উঠে যেতে পারবেন।
খুলনা চট্টগ্রাম বাস যাত্রার দরকারী কিছু টিপস
খুলনা থেকে চট্টগ্রাম যাত্রাপথটা যেহেতু বেশ দীর্ঘ, তাই সৌদিয়া পরিবহন খুলনা
টু চট্টগ্রাম বাসে ভ্রমণের পূর্বে ছোটখাটো কিছু বিষয় খেয়াল রাখলে আপনার
জার্নি হবে একদম ঝামেলাহীন ও আরামদায়ক। টিকিট কাটার সময়েই বাসের ভেতরের
মাঝখানের সিট বেছে নেওয়ার চেষ্টা করবেন, কারণ ঝাঁকুনি কম অনুভূতির জন্য এগুলো
বেশ ভালো। এছাড়া রাতের ট্রিপ হলে সাথে একটি হালকা চাদর বা প্রয়োজনীয়
ওষুধপত্র সাথে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। আর অনলাইনে বা কাউন্টারে টিকিট
কাটার পর বাস ছাড়ার নির্দিষ্ট সময়ের অন্তত ৩০ মিনিট আগে কাউন্টারে পৌঁছে
রিপোর্ট করা উচিত।
দীর্ঘ পথের ভ্রমণে নিজের মালামাল বা হ্যান্ডব্যাগের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে যাত্রার মাঝপথে বাস যখন কোনো রেস্তোরাঁয়
রিফ্রেশমেন্টের জন্য থামবে, তখন আপনার ফোন, ওয়ালেট বা মূল্যবান জিনিসপত্র
সিটে ফেলে না রেখে নিজের সাথে নিয়ে নামবেন। সঠিক তথ্য ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে
সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম পথের এই দীর্ঘ সফরটি আপনার কাছে অত্যন্ত
স্মৃতিময় ও আনন্দদায়ক হয়ে উঠবে।
সৌদিয়া পরিবহনের টিকিট বাতিলের নিয়ম
ভ্রমণ পরিকল্পনা যেকোনো সময় বদলে যেতে পারে, আর সে কারণেই সৌদিয়া পরিবহন
খুলনা টু চট্টগ্রাম রুটের টিকিটের রিফান্ড বা ক্যানসেলেশন পলিসি জেনে রাখা
প্রয়োজন। আপনি যদি কোনো কারণে যাত্রা বাতিল করতে চান, তবে বাস ছাড়ার অন্তত ১২
থেকে ২৪ ঘণ্টা আগেই কাউন্টারে বা অনলাইন সাপোর্ট প্ল্যাটফর্মে অবহিত করতে
হবে। সাধারণত বাস ছাড়ার সময় একদম কাছাকাছি চলে এলে অথবা বাস ছেড়ে দিলে কোনো
ধরনের রিফান্ড বা টিকিট পরিবর্তন করার সুবিধা পাওয়া যায় না, তাই যেকোনো
পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দ্রুত নেওয়াই ভালো।
অনলাইনে কেনা টিকিটের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট টিকিট প্ল্যাটফর্মের নীতিমালা
অনুযায়ী নির্দিষ্ট ক্যানসেলেশন ফি কেটে বাকি টাকা আপনার বিকাশ, নগদ বা ব্যাংক
অ্যাকাউন্টে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। তবে কাউন্টার থেকে কাটা টিকিটের ক্ষেত্রে
সরাসরি সেই কাউন্টারে গিয়ে মূল টিকিট জমা দিয়ে রিফান্ড রিকোয়েস্ট করতে হয়।
সঠিক সময়ে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে পারলে সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম
ভ্রমণে অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয় না।
এ বিষয়ে যাত্রীদের করা কিছু প্রশ্ন উত্তর
প্রশ্নঃ ওয়াইফাই সুবিধা কি আছে?
উত্তরঃ কেবল নির্দিষ্ট কিছু এসি বাসে ওয়াইফাই সুবিধা পাওয়া যায়।
প্রশ্নঃ শিশুদের জন্য টিকিট লাগে?
উত্তরঃ ৫ বছরের বেশি বয়সের শিশুদের জন্য আলাদা টিকিট আবশ্যক।
প্রশ্নঃ ই-টিকিট দেখালেই বাসে ওঠা যাবে?
উত্তরঃ না, ই-টিকিট দেখিয়ে কাউন্টার থেকে প্রিন্ট কপি নিতে হয়।
প্রশ্নঃ মহিলাদের জন্য কি আলাদা সিট বুকিং আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ, মহিলা যাত্রীদের জন্য পৃথক সিট বুকিংয়ের সুযোগ রয়েছে।
প্রশ্নঃ বাস কি বিরতি দেয়?
উত্তরঃ হ্যাঁ, খাবারের জন্য মানসম্মত হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে বিরতি দেওয়া হয়।
আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা
সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম বাসে আমার একাধিকবার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা
থেকে বলছি, দীর্ঘ এই দূরপাল্লার যাত্রায় তাদের সার্ভিস সত্যিই বেশ চমৎকার ও
ভরসা করার মতো। খুলনা থেকে রওনা হয়ে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়া আরামদায়কভাবে
চট্টগ্রামে পৌঁছানোর জন্য সঠিক সময়ে টিকিট কাটা এবং বাসের সিট নির্বাচনটা খুব
গুরুত্বপূর্ণ। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বলে, যাত্রার অন্তত দু-তিন দিন আগে
অনলাইনে বা সরাসরি কাউন্টারে গিয়ে মাঝের সারির সিট বুক করে রাখা সবচেয়ে
বুদ্ধিমানের কাজ; এতে দীর্ঘ পথের ক্লান্তি বা ঝাঁকুনি অনেকটাই কম অনুভূত হয়।
সৌদিয়া পরিবহন খুলনা টু চট্টগ্রাম রুটে ভ্রমণের সময় আমি সবসময় চেষ্টা করি
বাসের নির্দিষ্ট ডিপার্চার টাইমের অন্তত ২০ থেকে ৩০ মিনিট আগেই কাউন্টারে
পৌঁছে যেতে। এতে শেষ মুহূর্তের দৌড়ঝাঁপ এড়ানো যায় এবং ব্যাগপত্র গুছিয়ে
শান্তিতে বাসে গিয়ে বসা যায়। আপনি যদি আমার মতো একটু গুছিয়ে এবং
পূর্বপ্রস্তুতি নিয়ে যাত্রা শুরু করেন, তবে আশা করি দীর্ঘ এই সফরটি আপনার
কাছে অত্যন্ত সুবিধাজনক, নিরাপদ এবং স্মরণীয় হয়ে থাকবে।


