বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় শিশুর ত্বকের ১০টি নিয়ম
বাচ্চার গায়ের রং কি আসলেই ফর্সা করা সম্ভব? জানুন শিশুর ত্বকের স্বাভাবিক
উজ্জ্বলতা ধরে রাখার সঠিক উপায়, ক্ষতিকর ভুল এবং বিশেষজ্ঞ শিশু চিকিৎসকদের
নিরাপদ ১০টি পরামর্শ।
এখানে প্রত্যেকটা বিষয়ে আমি অনেক সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছি। আপনি সূচিপত্র
দেখে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য দেখে নিতে পারেন। আর শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়লে
এ বিষয়ে আর কোন সমস্যা থাকবে না।
পেজ সূচিপত্রঃ
বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায়
বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় প্রতিটি নতুন মা-বাবার কাছেই এই একটা
বাক্য মনের ভেতর ঘুরপাক খেতে থাকে। সন্তান কোলে আসার পর থেকে তার ছোট্ট হাত,
তুলতুলে গাল আর মাসুম চাহনি দেখে মন ভরে যায়। কিন্তু আমাদের সমাজে বাচ্চার
গায়ের রং নিয়ে আত্মীয়স্বজন বা প্রতিবেশীদের নানা মন্তব্যে অনেক সময় নতুন
মা-বাবারা মনে মনে একটু চিন্তিত হয়ে পড়েন।
আমি একদম নিজের অভিজ্ঞতার জায়গা থেকেই আজ আপনার সাথে মনের কথাগুলো শেয়ার
করছি। সত্যি বলতে, কোনো জাদুকরী ক্রিম বা টোটকা দিয়ে বাচ্চার জন্মগত গায়ের রং
এক নিমেষে বদলে ফেলা যায় না। তবে সঠিক উপায়ে যত্ন নিলে আপনার সোনামণির ত্বকের
প্রাকৃতিকভাবেই যে একটা সুন্দর উজ্জ্বলতা ও প্রাণবন্ত ভাব আছে, তা ফুটে উঠবে।
আসুন, একদম বন্ধুর মতো সহজ ভাষায় জেনে নেওয়া যাক কীভাবে আপনার কলিজার টুকরো
বাচ্চার ত্বকের সেরা যত্নটি নেওয়া সম্ভব।
বাচ্চার ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা বাড়ানোর নিয়ম
আমরা সকলেই আশা করি আমাদের ছোট সোনামণির ত্বক যেন সবসময় নরম, সতেজ এবং জীবন্ত
থাকে। কিন্তু অনেকের মনে হয় বাচ্চার যত্ন নেওয়া মানে কী যেন ভারী কিছু ব্যবহার
করা! এতে কিছু নয়, খুব সহজ কিছু নিয়ম অনুসরণ করলে শিশুর ত্বক তার নিজস্ব
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নিয়ে উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। স্নানের পর শরীর সম্পূর্ণ শুকানোর
আগেই, হালকা ভেজা অবস্থায় তার জন্য ভালো কোনো ম moisturizer আলতো করে লাগিয়ে
দিন। এতে ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা ধরে রাখা যায় এবং ত্বক খসখসে ও বিবর্ণ দেখায়
না।এছাড়াও, প্রতিদিন নিয়মিতভাবে একটু তেল মালিশ করার অভ্যাস করতে পারেন।
আরো পড়ুনঃ জনসন বেবি সাবান এর ৮টি সেরা উপকারিতা
হালকা অলিভ অয়েল বা খাঁটি নারকেল তেল লাগিয়ে কোমলভাবে হাত বুলালে রক্ত সঞ্চালন
বাড়ে, যা বাচ্চার শরীরকে শিথিল রাখে এবং ত্বককে ভেতর থেকে সজীব করে তোলে। তবে
রাখবেন, গোসলের পানি যেন অতিরিক্ত গরম না হয়; হালকা কুসুম গরম পানিতে ৫ থেকে ৭
মিনিটের মধ্যে গোসল করানোই সবচেয়ে ভালো। এবং বাচ্চার বয়স যদি ছয় মাসের বেশি হয়,
তবে তাকে পর্যাপ্ত পানি ও ভালো খাবার প্রদান করুন, কারণ শরীরের অভ্যন্তরীণ
সুস্থতা বাইরে তার স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা প্রকাশ করবে।
ঘরোয়া প্যাক ব্যবহারে শিশুর ত্বকের ক্ষতি
অনেক সময় নানি-দাদি বা আশেপাশের মানুষের কথা শুনে আমরা মনে করি ঘরে তৈরি বেসন,
কাঁচা হলুদ, দুধের সর কিংবা চন্দনের প্যাক বাচ্চার ত্বকে লাগালে হয়তো তার ত্বক
দারুণ ফর্সা হবে। কিন্তু হাতজোড় করে বলছি, এই ভুলটি অজান্তেই কখনো করবেন না। যা
আমরা খুব "প্রাকৃতিক" বা "নিরাপদ" মনে করছি, তা কিন্তু বাচ্চার অত্যন্ত
সংবেদনশীল ত্বকের জন্য বিষের মতো কাজ করতে পারে। বড়দের ত্বক ও বাচ্চার চামড়া
সম্পূর্ণ ভিন্ন তাদের ত্বক আমাদের থেকে অন্তত দশগুণ পাতলা এবং সামান্য
ঘষাতেও তারা ছিলে যাওয়ার ঝুঁকিতে থাকে।
কাঁচা হলুদ বা বেসনের কণাগুলো শিশুর সূক্ষ্ম ত্বকে ক্ষুদ্র ক্ষত সৃষ্টি করে। এর
ফলে ত্বকে প্রবল জ্বালা, র্যাশ বা অ্যালার্জি দেখা দিতে পারে। আর কাঁচা দুধে
উপস্থিত ব্যাকটেরিয়া কিংবা যেকোনো ঘরোয়া প্যাক শিশুর ত্বকের স্বাভাবিক প্রতিরোধ
ক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেয়। শিশুর ত্বককে সুন্দর করার অভিযোগে এসব
প্রক্রিয়া মানে তাকে অপ্রয়োজনীয় কষ্টের মধ্যে ঠেলে দেওয়া। শিশুর ত্বকের
প্রকৃত সৌন্দর্য তার কোমলতায়, ক্ষতিকারক ঘরোয়া টোটকার প্রলেপে নয়।
বাচ্চার ত্বকের সঠিক আর্দ্রতা ধরে রাখার উপায়
শিশুর নরম ত্বকে হাত লাগালেই যে মসৃণ এবং স্নিগ্ধ অনুভূতি মেলে, তার অমূল্য
রহস্য হলো নির্ধারিত আর্দ্রতা। শিশুর ত্বক সামান্য শুষ্ক হলেই তার সমস্ত কোমলতা
চলে যায়, এবং তা দেখায় রুক্ষ ও কালচে। তাই শিশুর ত্বককে সবসময় তাজা রাখতে হলে
তার শরীরে পানির ভারসাম্য বা আর্দ্রতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।এর জন্য
সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো গোসলের পর ই ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা। বাচ্চার গা
মোছার সময় তোয়ালে দিয়ে শক্ত করে মুছবেন না।
বরং আলতো করে চাপ দিয়ে পানিটুকু শুষে নিন। ত্বক যখন হালকা ভেজা থাকবে, ঠিক
তখনই প্যারাফিন বা ক্ষতিকর রাসায়নিক মুক্ত একটি ভালো বেবি লোশন বা ক্রিম
সম্পূর্ণ শরীরে মেখে দিন। এতে ত্বকের উপরের আর্দ্রতা ভিতরে লক হয়ে থাকবে। এবং
হ্যাঁ, ঘরে যদি নিয়মিত এসি চলে বা শীতকাল হয়, তবে ঘরের আর্দ্রতা ধরে রাখতে
একটি ছোট হিউমিডিফায়ার চালাতে পারেন, যা বাচ্চার ত্বককে শুষ্ক হওয়ার হাত থেকে
রক্ষা করবে।
ত্বক সুন্দর রাখার জন্য সঠিক পুষ্টিকর খাবার
বাচ্চার মুখের সতেজ হাসি এবং গায়ের কোমলতা আসলে বাইরের যেকোনো কিছু মেখে আনার
ফল নয়, এর আসল রহস্য লুকিয়ে আছে তার প্রতিদিনের খাবারের প্লেটের মধ্যে। বয়স
অনুযায়ী যখন বাচ্চার শরীরে সঠিক পুষ্টি মেলে, তখন ত্বক ভেতর থেকে উজ্জ্বল ও
জীবন্ত হয়ে ওঠে। সৌন্দর্যচর্চার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো তার ভিতরটা
পুষ্টিতে পূর্ণ রাখা।
বাচ্চার বয়স যদি ছয় মাসের বেশি হয়ে থাকে, তবে তার দৈনন্দিন খাদ্যে অন্তর্ভুক্ত
করুন প্রচুর ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার, যেমন কমলা, পেঁপে,
গাজর এবং সবজি। এগুলো ত্বকের অভ্যন্তরীণ কোষগুলোকে সুস্থ রাখে এবং ক্ষতিকারক
উপাদান অপসারণে সহায়তা করে। এছাড়া প্রোটিনের জন্য ডিমের কুসুম, ডাল এবং
পর্যাপ্ত পানি ওর ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা রক্ষা করে। সংক্ষেপে বললে, বর্ণিল
শাকসবজি ও ফলমূলের সুষম গ্রহণই কিন্তু আপনার বাচ্চার উজ্জ্বল ত্বকের গোপন
রহস্য।
কড়া রোদ থেকে শিশুর ত্বক সুরক্ষার উপায়
কড়া রোদ ও বাচ্চার কোমল ত্বক এই দুটি সম্পূর্ণ বিপরীত। অনেক সময় ভিটামিন ডি এর
খোঁজে বা খেলাধুলার অছিলায় আমরা শিশুকে রোদে নিয়ে যাই, কিন্তু সকাল ১১টা থেকে
বিকেলের প্রচণ্ড রোদ শিশুদের অত্যন্ত সংবেদনশীল ত্বকের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।
শক্ত সূর্যের আল্ট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সহজেই কচি ত্বকে সানবার্ন বা
গাঢ় দাগ সৃষ্টি করে।
সেক্ষেত্রে তীব্র রোদের সময় বাচ্চাকে যতটা সম্ভব ঘরের ভিতরে বা ছায়ায় রাখা
ভালো। বিশেষ করে যদি বাইরে নিতে হয়, তাহলে তার গায়ে সুতির পাতলা, হালকা রঙের
ঢিলেঢালা লম্বা হাতার জামা পরান, যাতে রোদ সরাসরি ত্বকে না লাগে। আর একটি চওড়া
প্রান্তের ক্যাপ বা টুপি মাথায় পরালে মুখের ওপর ছায়া থাকে। বাচ্চার বয়স ছয়
মাসের বেশি হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী বাচ্চার উপযোগী একটি নিরাপদ
সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে পারেন। এই ক্ষুদ্র সতর্কতাগুলোই রোদ থেকে আপনার
বাচ্চার ত্বককে সম্পূর্ণরূপে রক্ষা করবে ও সতেজ রাখবে।
শিশুর জন্য নিরাপদ সাবান ও শ্যাম্পু নির্বাচন
দোকানে সারি সারি সাজানো বেবি প্রসাধনীর দিকে তাকিয়ে আমরা প্রায়ই বিভ্রান্ত
হয়ে যাই। রঙিন প্যাকেজিং ও সুন্দর সুগন্ধ দেখলে মনে হয়, এটাই নিশ্চয় বাচ্চার
জন্য সেরা! কিন্তু সত্যি বলতে, সুবাস বা ফেনার মোহেই আমরা সবচেয়ে বড় ভুলটি করে
ফেলি। বাচ্চার কোমল চামড়ার জন্য প্রসাধনী কেনার সময় নাম বা ব্র্যান্ডের বদলে
উপাদানের তালিকায় নজর দেওয়াটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সাবান কিংবা শ্যাম্পু নির্বাচন করার সময় সবসময় এমনটি বেছে নিন যার গায়ে
‘Tear-Free’, ‘Hypoallergenic’ এবং ‘pH Balanced’ লেখা থাকে। এছাড়া, ভুলেও এমন
প্রসাধনী কিনবেন না যাতে কৃত্রিম সুগন্ধ, প্যারাবেন, বা সালফেটের মত শক্তিশালী
রাসায়নিক রয়েছে। অতিরিক্ত সুগন্ধ বা ফেনা শিশুদের ত্বকের স্বাভাবিক তেল শুষে
নিয়ে চামড়াকে খসখসে ও লালচে করে দেয়। তাই খুবই মাইল্ড, হালকা এবং চিকিৎসকদের
অনুমোদিত প্রসাধনীই আপনার সোনামণির কোমল ত্বকের সঠিক সুরক্ষা।
ত্বকের কালচে ভাব বা দাগ দূর করার নিয়ম
অনেক সময় খেয়াল করলে দেখা যায়, বাচ্চার ঘাড়ে, ভাঁজে, হাঁটুতে বা কনুইয়ে হালকা
কালচে ছোপ পড়ে। এসব দেখলে মা-বাবা হিসেবে আমাদের মন ব্যাকুল হয়ে ওঠে এবং আমরা
তড়িঘড়ি করে ভেবে বসি বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় খোঁজাই বুঝি এর
একমাত্র সমাধান। আসলে কিন্তু তা নয়; এই কালচে দাগগুলো কোনো স্থায়ী সমস্যা নয়,
বরং সঠিক পরিচ্ছন্নতার অভাব বা অতিরিক্ত ঘামের কারণেই সাধারণত দেখা দেয়।
তাই এই দাগগুলো দূর করতে কোনো ক্ষতিকর বা কড়া কিছু ঘষামাজা না করে আলতো যত্ন
নিন। নিয়মিত নাতিশীতোষ্ণ পানিতে নরম সুতি কাপড় ভিজিয়ে দাগের জায়গাগুলো হালকা
হাতে মুছে দিন। তবে কেবল দাগ মোছাই শেষ কথা নয়, কালচে ভাব এড়াতে ঘাম জমতে না
দেওয়া আর নিয়মিত হালকা ময়েশ্চারাইজার মেখে রাখা ভীষণ জরুরি। মূল কথা হলো,
কৃত্রিমভাবে বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় খোঁজার চেয়ে পরিচ্ছন্নতা আর
প্রাকৃতিক আর্দ্রতা ধরে রাখাই ত্বকের স্বাভাবিক রঙ ও কোমলতা ফিরিয়ে আনার
সবচেয়ে নিরাপদ পথ।
ফর্সাকারী ক্রিমের ক্ষতিকর প্রভাব ও ভয়াবহ বিপদ
বাজারের নানারকম বিজ্ঞাপনে লোভে পড়ে আমরা অনেকেই না বুঝে বাচ্চার নরম ত্বকে
ফর্সাকারী বা উজ্জ্বলতা বাড়ানোর ক্রিম মাখিয়ে ফেলি। মনে মনে হয়তো ভাবি যে
এগুলোই বুঝি বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় হতে পারে। কিন্তু সত্যি বলতে,
অতি সংবেদনশীল শিশুর চামড়ায় এসব কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম মাখানো মানে ওকে এক
মারাত্মক বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া। এই ক্রিমগুলোতে লুকিয়ে থাকে স্টেরয়েড, পারদ
(মার্কারি) এবং হাইড্রোকুইনোনের মতো অত্যন্ত কড়া ও বিষাক্ত উপাদান।
এই ক্ষতিকর কেমিক্যালগুলো বাচ্চার পাতলা ত্বকের প্রাকৃতিক প্রতিরোধ স্তরকে
একবারে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে নষ্ট করে দেয়। ফলে বাচ্চার চামড়া আগের চেয়েও বেশি
সংবেদনশীল হয়ে পড়ে, চামড়া পাতলা হয়ে রক্তনালী স্পষ্ট ভেসে ওঠে এবং অ্যালার্জি
বা চর্মরোগ স্থায়ী রূপ নেয়। তাই কোনো বিজ্ঞাপনের প্রলোভনে পড়ে বা কৃত্রিমভাবে
বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় হিসেবে এসব বিষাক্ত ক্রিম কখনো সোনামণির
গায়ে মাখাবেন না ওর স্বাভাবিক সুস্বাস্থ্য ও অমলিন কোমলতাই ওর আসল
সৌন্দর্য।
আমার ব্যক্তিগত মতামত ও অভিজ্ঞতা
বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় হিসেবে আমরা যাই ভাবি না কেন, দিনশেষে
সোনামণির সুস্থতাই কিন্তু মা-বাবার কাছে সবচেয়ে বড় তৃপ্তি। একজন অভিজ্ঞ
অভিভাবক হিসেবে নিজের জীবন থেকে শেখা একটি সত্য আপনাকে খোলামেলা বলি কোনো
ঘরোয়া টোটকা বা কেমিক্যালজাতীয় প্রসাধনী দিয়ে বাচ্চার প্রাকৃতিক রূপকে
কৃত্রিমভাবে বদলে ফেলা কখনোই সম্ভব নয়। আমি নিজে আমার বাচ্চার বেলায়ও ঠিক এই
নিয়মগুলোই মেনে দেখেছি
বাচ্চার গায়ের রং ফর্সা করার উপায় খোঁজার চেয়ে ওর নির্মল ও মাসুম হাসির দিকে
তাকিয়ে প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করাটা অনেক বেশি আনন্দদায়ক। আশেপাশের মানুষের
অযাচিত মন্তব্যে কান না দিয়ে কেবল বৈজ্ঞানিক ও নিরাপদ উপায়ে নিজের কলিজার
টুকরোটির সঠিক যত্ন নিন, কারণ একজন সচেতন মা-বাবা হিসেবে আপনার সঠিক
সিদ্ধান্তই ওকে রাখবে পুরোপুরি সুরক্ষিত। আশা করি, আমার এই ব্যক্তিগত
অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পরামর্শগুলো আপনার মনের দুশ্চিন্তা দূর করে সোনামণির সঠিক
পরিচর্যা করতে অনেকখানি সাহায্য করবে।


